কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পদ্মা নদীর ভাঙন দেখতে গিয়ে পাড় ধসে নদীগর্ভে নিখোঁজ হওয়া নূরিয়া খাতুন (৮) নামে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে পার্শ্ববর্তী মিরপুর উপজেলার শিমুলতলা এলাকার মীর আব্দুল করিম কলেজ-সংলগ্ন পদ্মা নদী থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নূরিয়া খাতুন কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদহ এলাকার আশিক শেখের মেয়ে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নূরিয়া কিছুদিন আগে ভেড়ামারার জুনিয়াদহ এলাকা থেকে দৌলতপুর উপজেলার ভুরকাপাড়ায় তার নানার বাড়িতে বেড়াতে আসে। সেখানে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সে নদীভাঙন দেখতে পদ্মা নদীর তীরে যায়। নদীতে দাঁড়িয়ে ভাঙন দেখার সময় হঠাৎ তাদের পায়ের নিচের মাটি ধসে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে নূরিয়া ও জামিলা নামে দুই শিশু নদীতে পড়ে যায়।
ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা দ্রুত চেষ্টা চালিয়ে জামিলা খাতুনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হলেও তীব্র স্রোতে নূরিয়া পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে মিরপুর উপজেলার তালবাড়িয়া এলাকার মীর আব্দুল করিম কলেজ-সংলগ্ন পদ্মায় একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা মরদেহটি নদীর তীরে এনে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ হেফাজতে নেন।
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষ্মীকুণ্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) শফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে নৌ পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নদী থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে নিখোঁজ শিশুর স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে সেটি শনাক্ত করেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।