কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরের কেশবপুর পৌর শহরে অবৈধভাবে ভবন নির্মাণকাজ বন্ধ করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক নোটিস দিলেও তা অমান্য করে অব্যাহত রাখা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবার কেশবপুর থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে জানা যায়, কেশবপুর পৌর শহরের বালিয়াডাঙ্গা এলাকার মৃত মোহাম্মাদ আলির ছেলে আমজাদ হোসেন (নায়েব) ও তার স্ত্রী জুলিয়া নাসরিন, বালিয়াডাঙ্গা মৌজায়, ব্রহ্মকাটি সড়ক সংলগ্ন জমিতে নকশাবহির্ভূত একই এলাকার হালিমা খাতুনের ১.১৫ শতক জমি জবর দখল করে সেখানে ভবন নির্মাণের কাজ করছেন। যার দাগ নম্বর- ১৬৭।
খবর পেয়ে হালিমা খাতুন বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মো. আনোয়ার হোসেনের কাছে একটি অভিযোগ করেন।
অভিযোগ পেয়ে পৌর প্রশাসক জমির সীমানা নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত ওই ভবনের কাজ বন্ধ রাখতে আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রীকে নোটিস প্রদান করেন। যার স্মারক নম্বর- কেশব/পৌর/২০২৬/৪৬০।
নোটিস পাওয়ার পরও তারা ভবনের কাজ অব্যাহত রাখায় ওই পরিবার কেশবপুর থানায় একটি অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, নায়েব আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রীকে ভবনের কাজ বন্ধ করতে ৩ সেপ্টেম্বর তারিখে পৌর ও উপজেলা প্রশাসন দু’দফা নোটিস দিলেও তারা তাতে কর্ণপাত করেননি।
হালিমা খাতুনের স্বামী শিক্ষক হযরত আলি বলেন, নায়েব আমজাদ হোসেন ও তার স্ত্রী জুলিয়া নাসরিন তাদের জমি জবরদখল করে সেখানে ভবনের কাজ করছেন। এ খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে ভবনের কাজ বন্ধ করতে বলি। তখন তাদের রাজমিস্ত্রি ডালিমসহ ৮-১০জন শ্রমিক আমাকে লাঞ্ছিত এবং অকথ্য ভাষায় গালাগালসহ হুমকি দেয়।
এ ঘটনায় কেশবপুর থানায় একটি অভিযোগ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে বক্তব্য নেওয়ার জন্য নায়েব আমজাদ হোসেনের মোবাইলফোন নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন বলেন, হালিমা খাতুনের জমিতে অবৈধভাবে ভবন নির্মাণের ব্যাপারে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টির তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।