যশোর, বাংলাদেশ || সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

যশোরে সরকারি রাস্তার মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : রবিবার, ৭ জুন,২০২৬, ০৫:৫৫ পিএম
আপডেট : রবিবার, ৭ জুন,২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম
যশোরে সরকারি রাস্তার মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ

যশোর সদর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের মুনসেফপুর সরকারি প্রাইমারি স্কুলের পেছনে সরকারি রাস্তার মাটি কেটে বিক্রি করছে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র। সম্প্রতি সংস্কার করা মথুরাপুর-রূপদিয়া সড়কের বাঁধের মাটি কেটে বিক্রির এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, মুনসেফপুর গ্রামের আব্দুস সামাদের তিন ছেলে- আবু মুছা, জামাল ও আমির আলী জনসাধারণের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তার পাড়ের মাটি কেটে নিয়ে যাচ্ছেন। এলাকাবাসীর বারবার নিষেধ ও আপত্তি সত্ত্বেও তারা এই সরকারি সম্পত্তি কেটে মথুরাপুর গ্রামের মৃত সিদ্দিক আলীর ছেলে ভুট্টোর কাছে মাটি বিক্রি করছেন। এই মাটি দিয়ে ভুট্টো তার ব্যক্তিগত নিচু জমি ভরাট করছেন।

মাটি কেনার বিষয়ে জানতে চাইলে ভুট্টো তা স্বীকার করে দাবি করেন, ‘রাস্তার ধার ঘেঁষে থাকা জমিটি মূলত মুসা, আমির ও জামালের। ওরাই মাটি কেটেছে, আমি ওদের কিছু টাকা দিয়ে মাটিগুলো নিয়ে আমার জমি ভরাট করেছি।’

নাতির বাড়ি করার জন্য টাকার বিনিময়ে জমিটি ভরাট করছেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘এতে যদি কোনো আইনি সমস্যা হয়, তবে আমি লোক দিয়ে আবার জায়গামতো মাটি রেখে আসবো।’

স্থানীয় মানুষের এ অভিযোগের বিষয়ে প্রধান অভিযুক্ত আবু মুছার ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার স্ত্রী ফোন রিসিভ করেন। মাটির ব্যবসার বিষয়ে তিনি কিছু বলতে না পারলেও রাস্তার পাশের জমিটি তাদের এবং সেখানেই তার স্বামী কাজ করছেন বলে জানান এবং কথোপকথনের একপর্যায়ে তিনি কলটি কেটে দেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় কচুয়া ইউনিয়ন চার নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘আমি বিষয়টি শুনেছি। তবে ব্যস্ততার কারণে এখনো ঘটনাস্থলে যেতে পারিনি। এটি অত্যন্ত অন্যায় কাজ। আমি বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট সবার সাথে কথা বলবো এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।’

কচুয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব ফারুক হোসেনের কাছে মোবাইল ফোনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তবে সরকারি রাস্তা বা বাঁধ কেটে মাটি নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমি এখনই খোঁজখবর নিয়ে এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’

এদিকে, সরকারি রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত করে এভাবে ব্যক্তিগত স্বার্থে সরকারি সম্পদ লোপাটের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের দ্রুত ও কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)