যশোর, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

নেপালের পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হতে পারে বাংলাদেশ

সুবর্ণভূমি ডেস্ক

প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট,২০২৬, ০৮:৪৯ পিএম
নেপালের পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হতে পারে বাংলাদেশ

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে সৃষ্ট আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের পানি ভারতের গঙ্গা নদী হয়ে ফারাক্কা বাঁধ অতিক্রম করে বাংলাদেশে ঢুকতে পারে। এই পানি যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মা নদীর প্রবাহে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকার নদীতীরবর্তী ও চরাঞ্চলের মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।

তিনি জানান, তিব্বত-নেপাল সীমান্তে সৃষ্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পানি ভোটি কোশি ও ত্রিশুলি নদী হয়ে নারায়নি-গন্ধক নদীব্যবস্থার মাধ্যমে ভারতের বিহারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এরই মধ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় পানি কমিশন গন্ধক নদীর ভাটি এলাকায় সম্ভাব্য আকস্মিক পানি বৃদ্ধির বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিহার সরকার ভালমিকিনাগরের গন্ধক বাঁধের ৩৬টি গেটই খুলে দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানান তিনি।

মোস্তফা কামাল পলাশের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গন্ধক নদীর অতিরিক্ত পানি বিহারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে হাজিপুর-সোনপুর এলাকার কাছে গঙ্গায় মিলিত হবে। এরপর গঙ্গার প্রবাহের সঙ্গে পূর্বদিকে অগ্রসর হয়ে ফারাক্কা বাঁধ অতিক্রম করে বাংলাদেশের গঙ্গায় প্রবেশ করতে পারে। পরে যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মার প্রবাহে যুক্ত হবে।

তবে এই পাহাড়ি ঢলের পানি ঠিক কখন বাংলাদেশে পৌঁছাবে, তা এখনই নির্ভরযোগ্যভাবে নির্ধারণ করা যাচ্ছে না বলে উল্লেখ করেন তিনি। নদীপথে অগ্রসর হওয়ার সময় পাহাড়ি ঢলের শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। ভারতের কেন্দ্রীয় পানি কমিশনের পর্যবেক্ষণেও ভাটির দিকে যাওয়ার সময় ঢলের শক্তি ক্ষয় হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।

এদিকে বিহারের গঙ্গার কয়েকটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে এরই মধ্যে পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। ফলে নেপাল থেকে আসা অতিরিক্ত প্রবাহ গঙ্গায় যুক্ত হলে ভাটি এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন বলে সতর্ক করেছেন এই গবেষক।

তার দেওয়া সম্ভাব্য গতিপথ হলো—ভালমিকিনগর → গন্ধক → হাজিপুর/সোনপুর → গঙ্গা → পূর্ব বিহার → ফারাক্কা → বাংলাদেশ।

গঙ্গা-পদ্মা নদীর তীরবর্তী, বিশেষ করে চরাঞ্চলের মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে আগামী কয়েক দিন নদীর পানির উচ্চতার পরিবর্তনের ওপর সতর্ক নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন মোস্তফা কামাল পলাশ।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)