যশোর, বাংলাদেশ || শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

সমাধি সংরক্ষণের দাবি

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর ষ

প্রকাশ : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ০২:৫৩ পিএম
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদের শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্সনায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। শনিবার সকালে যশোরে শার্শা উপজেলার কাশিপুরে তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, গার্ড অব অনার, মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়ার আয়োজন করে বিজিবির যশোর ব্যাটালিয়ন (৪৯ বিজিবি)।

অনুষ্ঠানে ৪৯ বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর নূর উদ্দীন আহম্মেদ, সহকারী পরিচালক মাছেদুল ইসলাম খান, কাশিপুর ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার সওকত আলী লস্করসহ বিজিবির কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। বীরশ্রেষ্ঠের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বড় মেয়ে হাসিনা বানু, নাতি নিয়ামুল ইসলাম, নাতনি তাহেরা খানম ও তার স্বামী মেজর নাহিদুজ্জামান শেখ উপস্থিত ছিলেন।

সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের পর বিজিবির সুসজ্জিত দল বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। বিজিবির মহাপরিচালকের পক্ষ থেকেও তার সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে তার আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে ৪৯ বিজিবির উপ-অধিনায়ক মেজর নূর উদ্দীন আহম্মেদ বক্তব্য দেন।

শাহাদাতবার্ষিকীর এই আয়োজনে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধিস্থলের বর্তমান অবস্থা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। সমাধিস্থলটি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ, দর্শনার্থীদের জন্য ছাউনি এবং একটি জাদুঘর বা কমপ্লেক্স নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

বীরশ্রেষ্ঠের বড় মেয়ে হাসিনা বানু বলেন, তার বাবা যে স্থানে শাহাদাত বরণ করেছেন সেখানে দর্শনার্থীদের বসা বা দাঁড়ানোর পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। দীর্ঘদিন ধরে সরকারের কাছে এ বিষয়ে জানানো হলেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

হাসিনা বানু বলেন, আমার আব্বা ৫ই সেপ্টেম্বরে এই দিনই এখানে শাহাদাত গ্রহণ করেন। আমরা যে স্বাধীন দেশের মানুষ, আমরা যে তাদের সন্তান। এই জন্য আমরা এখানে একটা দাবি করি যে, এখানে যদি একটা ছাউনি থাকে, তাহলে এসে কেউ বসতে পারে, দাঁড়াতে পারে। একটা জাদুঘর করুক কিংবা এখানে একটা পোস্ট অফিস করুক, একটা কমপ্লেক্স করুক। এখানে লোকজন এসে একটু বসতে পারে, দাঁড়াতে পারে।

তিনি বলেন, উপরে ছাউনি না থাকলে ঠান্ডা, গরমে তো বসা যায় না। এটা তো সরকারেরই দেখা উচিত।

বীরশ্রেষ্ঠের নাতি নিয়ামুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে সমাধিস্থলটি সংরক্ষণের দাবি জানানো হলেও তেমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। বিশেষ দিবস এলেই শুধু কিছুটা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোরের শার্শা সীমান্তে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে শহীদ হন ল্যান্সনায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ। মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পদক 'বীরশ্রেষ্ঠ' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)