যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

হুমকির অভিযোগ আয়কর আইনজীবীর

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : রবিবার, ৪ অক্টোবর,২০২৬, ০১:৩৪ পিএম
আপডেট : রবিবার, ৪ অক্টোবর,২০২৬, ০২:৪৬ পিএম
হুমকির অভিযোগ আয়কর আইনজীবীর

যশোর সদর উপজেলার ইছালী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ায় আয়কর আইনজীবী জুয়েল আক্তার মুন্সীকে হুমকি, হয়রানি, অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ করা হচ্ছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে।

এমন অবস্থায় নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন জুয়েল। রোববার (৪ অক্টোবর) প্রেসক্লাব যশোরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জুয়েল আক্তার মুন্সী এসব অভিযোগ করেন।

জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ইছালী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করছেন। এতে তার জনসমর্থন বাড়তে থাকায় একটি পক্ষ তার সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি অভিযোগ করেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে ইছালী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আশরাফ বিশ্বাস, পাঁচ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক সাত্তার রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি মুন্না বিশ্বাসসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কয়েকজন নেতাকর্মী সাইফুজ্জামানকে সঙ্গে নিয়ে মনোহরপুর বাজারে তার বাড়িতে যান। এ সময় তারা তাকে গালিগালাজ করে চার লাখ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন জুয়েল।

তার দাবি, সাইফুজ্জামানের স্ত্রী নিশি খাতুনের সঙ্গে তার বৈবাহিক বিরোধ ও তালাকের ঘটনায় চার লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন—এমন অভিযোগ তুলে তার কাছে ওই টাকা দাবি করা হয়। তবে এ অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন তিনি।

জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, পারিবারিক বিরোধের সময় সাইফুজ্জামান তার কাছে আইনি সহযোগিতা চাইলে তিনি আইনজীবী হিসেবে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পরে সাইফুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পাবনার ঈশ্বরদী থানায় গেলেও তার স্ত্রী নিশি খাতুনের সঙ্গে তার কোনো সাক্ষাৎ বা আলোচনা হয়নি।

পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন, গত ২৭ জুলাই দুই পরিবারের সমঝোতার মাধ্যমে তাদের তালাক সম্পন্ন হয় এবং দেনমোহর বাবদ চার লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়। ওই অর্থ লেনদেনের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না বলেও দাবি করেন জুয়েল।

সংবাদ সম্মেলনে জুয়েল আক্তার মুন্সী বলেন, এসব ঘটনায় তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এবং আদালতে মামলাও করেছেন। বিষয়গুলো তদন্তাধীন থাকলেও তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রকৃত সত্য উদঘাটন এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা বিএনপির দায়িত্বশীল নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তার স্ত্রী জিনিয়া জুয়েল, ভাই অভি মুন্সী ও নিকটাত্মীয় আব্দুল্লাহ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)