তসলিম শিমুল
, যশোর
একটা জোড়া গোল আলোড়ন তোলে। টানা দুই ম্যাচে জোড়া গোল ইতিহাস লেখে। কিলিয়ান এমবাপে বিশ্বকাপের মঞ্চে সেটাই লিখছেন।
টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে ২ গোল। আজ ইরাকের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে আবার ২ গোল। ১৪ মিনিটে গতির ঝড়, ৫৪ মিনিটে ঠান্ডা মাথার ফিনিশ। ফ্রান্সের ৩-০ জয়ে তিনি একাই নেতা। শেষ বাঁশির পর ‘সুপিরিয়র প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ ট্রফিটাও উঠলো তার হাতে। টানা দুই ম্যাচ, টানা দুইবার ম্যাচসেরা।
কিন্তু গোল্ডেন বুট? সেখানে এখনো মেসি
এমবাপের ৪ গোল নিঃসন্দেহে ভয়ংকর। কাতারের ফাইনালের যন্ত্রণা বয়ে বেড়ালেও তিনি এবারও পায়ের জাদু দেখিয়ে চলেছেন। কিন্তু গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসি এখনো এক ধাপ এগিয়ে। মেসির গোল ৫টা।
তাই লড়াইটা জমে গেছে। একদিকে মেসির অভিজ্ঞতা আর নিখুঁত ফিনিশিং। অন্যদিকে এমবাপের গতি আর যৌবনের আগুন।
এমবাপের বার্তা পরিষ্কার
২০২২ এর ফাইনালে হ্যাটট্রিক করেও ট্রফি ছুঁতে পারেননি। সেই ক্ষত আজ শক্তিতে বদলে গেছে। দুই ম্যাচে ৪ গোল করে এমবাপে বুঝিয়ে দিলেন, ‘আমি থামবো না। গোল্ডেন বুট আমি চাই। বিশ্বকাপ আমি চাই।’
ফ্রান্স কোচ দেশম বলেছেন, ‘কিলিয়ান যখন এভাবে শুরু করে, তখন প্রতিপক্ষের রাতের ঘুম হারাম।’
দ্বৈরথে জমছে বিশ্বকাপ
মেসি ৫, এমবাপে ৪। এক গোলের ব্যবধান। সামনে এখনো অনেক ম্যাচ বাকি। ফুটবল দুনিয়া তাকিয়ে আছে, মেসি কি তার শেষ বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট নিয়ে বিদায় নেবেন? নাকি এমবাপে কাতারের কান্না ২০২৬ এ হাসি দিয়ে মুছে দেবেন?
দুই জেনারেশনের লড়াই। দুই কিংবদন্তির দৌড়। জমে উঠছে বিশ্বকাপ।