যশোর, বাংলাদেশ || বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

ছাত্রী নির্যাতনের অভিযোগে এমএসটিপি শিক্ষক সাসপেন্ড

স্টাফ রিপোর্টার

, যশোর

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট,২০২৬, ০৩:১৩ পিএম
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট,২০২৬, ০৮:৩২ পিএম
ছাত্রী নির্যাতনের অভিযোগে এমএসটিপি শিক্ষক সাসপেন্ড

যশোরের ঐতিহ্যবাহী মধুসূদন তারাপ্রসন্ন (এমএসটিপি) বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে শারীরিক নির্যাতন এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছে খণ্ডকালীন শিক্ষক শিমুল মণ্ডলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভের মুখে তাকে সাময়িক বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা ও মা অভিযোগ করেন, শিমুল মণ্ডলের পরিচালিত কোচিং সেন্টারে না পড়ার কারণে তাদের মেয়েকে স্কুল ছুটির পর আটকে রেখে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এতে ছাত্রীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন ও ক্ষত সৃষ্টি হয় বলে তারা দাবি করেন। ভয় দেখানোর কারণে কয়েক দিন বিষয়টি গোপন ছিল। পরে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে।

অভিভাবকেরা আরও অভিযোগ করেন, বিদ্যালয়ে কোচিং বাণিজ্য ও প্রতি সপ্তাহে ৩০০ টাকা করে শিট বিক্রির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হতো। এ ছাড়া কয়েকজন অভিভাবক ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও শারীরিকভাবে হয়রানির অভিযোগও করেছেন।

ঘটনার পর ভুক্তভোগী ছাত্রীর পরিবার যশোর কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। অভিযোগের পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক শিমুল মণ্ডল পলাতক রয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ফারজানা করিম ও সহকারী শিক্ষিকা সুমি খাতুন ছাত্রীর শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখেছেন বলে জানান। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

এমএসটিপি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. খায়রুল আনাম বলেন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযুক্ত খণ্ডকালীন শিক্ষক শিমুল মণ্ডলকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রক্রিয়ায় তদন্ত চলছে।

এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এমএসটিপি পরিচালনা পরিষদের সভাপতি, যশোর পৌরসভার প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মো. রফিকুল হাসান।

তিনি বলেন, ‘আমি ইতোমধ্যে যশোর কোতোয়ালি থানার ওসির সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’

এদিকে, সন্ধ্যায় অধ্যক্ষ মো. খায়রুল আনাম সুবর্ণভূমিকে জানান, নির্যাতিতা শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের প্রতিষ্ঠানে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)