যশোর, বাংলাদেশ || বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

বাংলাদেশ কেবল শিল্প লিমিটেডের অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী

‘পাঁচ বছরে দশ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য’

খুলনা অফিস

প্রকাশ : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ০৭:৪৪ পিএম
আপডেট : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ০৮:৫৪ পিএম
‘পাঁচ বছরে দশ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য’

আগামী পাঁচ বছরে সরকার দশ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বলে জানিয়েছেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, এমপি। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনায় বাংলাদেশ কেবল শিল্প লিমিটেডে (বাকেশি) স্থাপিত এক মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন রুফটপ সোলার প্লান্টের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব এবং বাকেশি পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান বিলকিস জাহান রিমি। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ও বাকেশি পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক  আবদুল্লাহ হারুন এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক  (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল।

অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধান ও স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাকেশির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শহিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বাড়ির ছাদ থেকে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জায়গা যেখানেই সুযোগ আছে, সেখানেই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে হবে। জাতীয় গ্রীডে উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ করলে প্রতি ইউনিট দশ টাকা ৫০ পয়সা হারে মূল্য পরিশোধের নিশ্চয়তা দিয়েছে সরকার।

তিনি বলেন, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও ফার্নেস অয়েল সংকটের মধ্যে বিকল্প জ্বালানি হিসেবে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে বড় পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। তারই অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় বাকেশির সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। প্রায় এক মাস আগেই এটি উৎপাদনে গেছে। কারখানার নিজস্ব চাহিদা মেটানোর পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। এতে প্রতি মাসে প্রায় ১৫ লাখ টাকা সাশ্রয় হচ্ছে। প্রায় পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে স্থাপিত প্রকল্পটির বিনিয়োগ তিন থেকে চার বছরের মধ্যে উঠে আসবে।

তিনি আরও বলেন, সৌরবিদ্যুৎ প্রাকৃতিক শক্তির উৎস। বর্তমান জ্বালানি সংকটের বাস্তবতায় এর ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। এজন্য সাধারণ মানুষকে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে উৎসাহিত করছে সরকার। ১ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাসিক কিস্তিতে সেই ঋণ পরিশোধ করা যাবে। সৌরবিদ্যুৎ সরঞ্জাম আমদানিতেও কর ও শুল্ক সুবিধা রয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বাকেশির ১ মেগাওয়াটের প্ল্যান্ট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ কারখানার প্রায় ৯০০ কিলোওয়াট চাহিদা মেটাচ্ছে। অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ইতোমধ্যে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে প্লান্টটির সক্ষমতা দুই মেগাওয়াটে উন্নীত করার সুযোগ রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য প্রায় ৩০ হাজার একর জমি সংগ্রহ করা হয়েছে। পাশাপাশি বায়ুবিদ্যুৎ উৎপাদনের উদ্যোগও চলছে। বিটিসিএল, টেলিটক, হাইটেক পার্কসহ ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জায়গার সুযোগ অনুযায়ী সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা হবে বলেও তিনি এ সময় উল্লেখ করেন।

অনুষ্ঠানের আগে মন্ত্রী বাকেশি চত্বরে বৃক্ষরোপণ এবং পুকুরে মৎস্য অবমুক্ত করেন।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)