স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
নির্বাচন সামনে রেখে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে তিনদিনের জন্য আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ রাখা হয়েছে।
একইসঙ্গে চেকপোস্ট দিয়ে পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াতও সীমিত করা হয়েছে। তবে, পচনশীল পণ্যবাহী ট্রাক এবং জরুরি প্রয়োজনে কিছু ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হচ্ছে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, আগামী ২৯ এপ্রিল উত্তর ২৪ পরগণার বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সে কারণে ভারতীয় জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় সোমবার সকাল থেকে ২৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি সীমান্ত দিয়ে সব ধরনের সাধারণ পাসপোর্টযাত্রী পারাপারও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
এ সময়ে সীমান্ত এলাকায় মানুষ ও যানবাহনের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ফলে, বেনাপোলসহ সংশ্লিষ্ট সীমান্তপথ ব্যবহারকারী যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
তবে, জরুরি চিকিৎসা, ভোটারদের ভোটদানে যাতায়াত এবং পচনশীল পণ্যবাহী যানবাহনের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন বলেন, পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের কারণে তিনদিন বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে, কাঁচামাল ও পচনশীল পণ্যের ক্ষেত্রে কিছুটা শিথিলতা রাখা হয়েছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের অফিসার ইনচার্জ এসএম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিশেষ অনুমোদনসাপেক্ষে জরুরিক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে পাসপোর্টযাত্রী পারাপারের সুযোগ রাখা হয়েছে। সাধারণ যাত্রীদের অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বলেন, হঠাৎ করে তিনদিনের জন্য বাণিজ্য বন্ধ হওয়ায় বন্দরে পণ্যজটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রপ্তানিকারকরা বেশ ক্ষতির মুখে পড়বেন।
বেনাপোল আমদানি-রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার পণ্য এই বন্দর দিয়ে আদান-প্রদান হয়। তিনদিন কার্যক্রম বন্ধ থাকলে ব্যবসায়ীরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, পাশাপাশি সরবরাহ ব্যবস্থাতেও প্রভাব পড়বে।