যশোর, বাংলাদেশ || মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

কান্নায় শেষ রোনালদোর বিশ্বকাপ, শেষ আটে স্পেন

সুবর্ণভূমি ডেস্ক

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই,২০২৬, ০৩:০৩ পিএম
কান্নায় শেষ রোনালদোর বিশ্বকাপ, শেষ আটে স্পেন

স্পেনের কাছে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলো পর্তুগালের। এর সঙ্গে ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ মঞ্চে শেষ হয়ে গেল ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারও।

নির্ধারিত সময়ের পর যোগ করা প্রথম মিনিটে মিকেল মেরিনোর নিখুঁত ফিনিশে ১-০ ব্যবধানে জেতে স্পেন। খুব বেশি সুযোগ তৈরি না হওয়ায় ম্যাচটি অতিরিক্ত সময়ে গড়াবে বলেই মনে হচ্ছিল। তবে শেষ মুহূর্তের সেই গোলেই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করে স্পেন। শেষ আটে তাদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম।

৪১ বছর বয়সী রোনালদো ম্যাচের আগেই জানিয়েছিলেন, এটাই হবে তার শেষ বিশ্বকাপ। সেক্ষেত্রে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম এই মহাতারকার বিদায়টা হলো অনেকটাই নীরবে। শেষ বাঁশি বাজার পর চোখের জল নিয়ে একাই মাঠ ছেড়ে যান রোনালদো।

রোনালদোর ২০২৬ বিশ্বকাপের স্বপ্নের সমাপ্তিটাও হলো শুরুর মতোই। শুরু থেকেই প্রশ্ন ছিল, ৪১ বছর বয়সে এসে এই টুর্নামেন্টটা কি তার জন্য একটু বেশিই কঠিন হয়ে গেল কিনা? মাঠের খেলাও যেন সেই প্রশ্নই সামনে এনে দিল।

ছয়টি ভিন্ন বিশ্বকাপে গোল করা প্রথম ফুটবলার হওয়ার কীর্তি গড়েছেন রোনালদো। তবে এই বিশ্বকাপে তার পারফরম্যান্সের স্মৃতিতে আনন্দের মুহূর্ত খুব বেশি নেই। গ্রুপ পর্বে তিন ম্যাচই হারা উজবেকিস্তানের বিপক্ষে দুটি গোল আর ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে একটি পেনাল্টি গোল, এতেই সীমাবদ্ধ ছিল তার পারফরম্যান্স।

স্পেনের বিপক্ষে তিনি ছিলেন প্রায় নিষ্প্রভ, আর সেটিই যেন তার পুরো বিশ্বকাপ অভিযানের প্রতিচ্ছবি।

স্পেনের বিপক্ষে প্রথমার্ধে রোনালদো বল ছুঁয়েছেন মাত্র ১২ বার। মাঠে থাকা অন্য যেকোনো খেলোয়াড়ের চেয়ে সেটি ছিল কম। এমনকি স্পেনের সেন্টার ফরোয়ার্ড মিকেল ওইয়ারসাবালও তার চেয়ে ৯ বার বেশি বল স্পর্শ করেছেন।

রোনালদোর ওপর থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নিলে ম্যাচটি ছিল বেশ সতর্কতাপূর্ণ। টুর্নামেন্টের গুরুত্বপূর্ণ লড়াইয়ে একে অপরকে কার্যত আটকে রেখেছিল স্পেন ও পর্তুগাল। বল পায়ে লামিন ইয়ামাল বারবার পেনাল্টি বক্সে ঢোকার চেষ্টা করেও সফল হননি। অন্যদিকে ব্রুনো ফার্নান্দেস ও রোনালদোও ম্যাচে প্রভাব ফেলতে জায়গা খুঁজে পাননি।

শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেন দুই বদলি খেলোয়াড়। দ্রুত নেওয়া একটি ফ্রি-কিকের সময় মনোযোগ হারায় পর্তুগাল। সেই সুযোগে প্রাণবন্ত ফেরান তোরেস বক্সের কিনারায় বল পেয়ে যান। প্রথম স্পর্শেই বল নিয়ন্ত্রণে এনে ঘুরে দাঁড়িয়ে দারুণ এক থ্রু পাস বাড়ান মিকেল মেরিনোর উদ্দেশে।

নিজের স্বভাবসুলভ দেরিতে বক্সে ঢোকার দৌড়ে বল পেয়ে মেরিনো আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কাছের পোস্ট ঘেঁষে জাল খুঁজে নেন। স্ট্রাইকারসুলভ সেই নিখুঁত ফিনিশে স্পেন নিশ্চিত করে জয়। ক্লাব ফুটবলেও মাঝেমধ্যে ৯ নম্বর পজিশনে খেলেছেন মেরিনো। সেই অভিজ্ঞতাই এখানে কাজে লাগালেন তিনি।

এই বিশ্বকাপে এখনো একটিও গোল হজম করেনি স্পেন। লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলের এদিনের পারফরম্যান্স হয়তো তাদের সেরার কাতারে পড়বে না, তবে কঠিন ও ধৈর্যের পরীক্ষার ম্যাচে কীভাবে টিকে থাকতে হয়, আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে কীভাবে গতি বাড়িয়ে ম্যাচ নিজেদের করে নিতে হয়, সেটিই আবারও দেখিয়ে দিল স্পেন।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)