স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
হাজিরা দিতে এসে আদালত চত্বরে মারপিটের শিকার হয়েছিলেন যশোর শহরের চোরমারা দিঘিরপাড়া এলাকার রাজা বরদাকান্ত রোডের বাসিন্দা আফজাল হোসেনের স্ত্রী হাসিনা খাতুন। এই ঘটনায় তিনি আদালতে অভিযোগ দিলে তা কোতোয়ালি থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।
আসামিরা হলেন, নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার চাঁচই ধানাইড় গ্রামের মোস্তফা কামালের মেয়ে শারমিন আক্তার আশা, যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার কামাল হোসেনের মেয়ে শিল্পী বেগম এবং রবিউল ইসলামের ছেলে নাছিম রেজা।
এজাহারে হাসিনা উল্লেখ করেছেন, তার কাছ থেকে নেওয়া টাকা আত্মসাতের অভিযোগে শারমিন আক্তার আশার নামে তিনি যশোর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেছিলেন। গত ৪ অক্টোবর ওই মামলায় হাজিরা দিয়ে তিনি বাড়িতে ফিরছিলেন। আদালতের পশ্চিম দিকের গেট দিয়ে বের হওয়ার সময় আসামিরা আগে থেকে ওত পেতেছিলেন এবং তাকে মারপিট করেন। তার ওড়না গলায় প্যাঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করে। চুলের মুঠি ধরে মাটিতে ফেলে দেয়। এরপর কিল-ঘুসি, চড়-থাপ্পড় মারে। পরনের কাপড় টেনে শ্লীলতাহানি ঘটায় এবং গলায় থাকা একটি সোনার চেইন ছিনিয়ে নেয়। এ সময় তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায়।
পরে তিনি যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে ফেরেন এবং কোতোয়ালি থানায় মামলা করতে যান। কিন্তু পুলিশের পরামর্শে তিনি ৬ অক্টোবর আদালতে নালিশি পিটিশন দাখিল করেন। পরে আদালতের নির্দেশে অভিযোগটি গত সোমবার রাতে থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়।