স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোর শহরের চাঁচড়া রায়পাড়ার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত রহিম উদ্দিনকে ধরতে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন সাত আসামিকে আটক করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাতে চাঁচড়া রায়পাড়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। এই নিয়ে মোট আটজনকে আটক করা হলো।
এরা হলেন রায়পাড়ার রনির স্ত্রী পিংকি, কাইয়ুম শেখের স্ত্রী পারভীন ওরফে কুটি, কালু শেখ ও তার স্ত্রী নুরজাহান, রায়পাড়া তুলাতলা এলাকার কামরুল ইসলাম বাবুর স্ত্রী রওশন আরা বেগম ও তার মেয়ে নদী আক্তার শ্রাবন্তী, মৃত নান্নু ওরফে লালু শেখের দুই ছেলে রনি ও কালু।
এর আগে পুলিশ চাঁচড়া রায়পাড়া তুলাতলা এলাকার কামরুল ইসলাম বাবুর ছেলে রবিউল ইসলাম রনিকে আটক করে।
কোতোয়ালি থানার এসআই আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন, গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে তারা চাঁচড়া রায়পাড়া জামতলা এলাকায় অভিযান চালায়। সে সময় পুলিশ দেখে রহিম একটি পোটলা ফেলে পালিয়ে যায়। ওই পোটলা থেকে একশ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। এসময় রহিমকে আটকের জন্য অভিযান চালানো হয়। সেসময় মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে বাঁধা দেয়। তারা মভ সৃষ্টি করে পুলিশের ওপর হামলা চালায়। তারা কনস্টেবল ইরফান আলীকে চড়, লাথি, ঘুসি মারে। তাকে মাটিতে ফেলে দেয়। সংবাদ পেয়ে এসআই জাবেদ আলী গাড়ি নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ ফোর্স নিয়ে সেখানে উপস্থিত হলে তারা ওই গাড়ির ওপর হামলা চালানোর চেষ্টা করে। পরে সেখান থেকে রবিউল ইসলাম রনিকে আটক করা হলেও অন্যান্যরা পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৪০/৫০ জনের নামে একটি মামলা করেন। আসামিরা হলো, রবিউল ইসলাম রনির স্ত্রী সুরাইয়া খাতুন, রহিম উদ্দিনের স্ত্রী দুলারী খাতুন, শংকরপুরের দুলালের স্ত্রী নুরী, রায়পাড়ার মুদি দোকানদার খলিল, আশ্রম রোড মোটর গ্যারেজ এলাকার রেজাউল, রায়পাড়ার মকবুলের ছেলে রাজু,একই এলাকার কাজল রেখা, মিন্টু, খলিলের স্ত্রী কোহিনুর, মানিকের স্ত্রী পারুল, জাহাঙ্গীরের স্ত্রী পান্না এবং মিন্টুর স্ত্রী জেসমিন।