স্টাফ রিপোর্টার
, যশোর
যশোরের মণিরামপুরে বিয়ের মাধ্যমে প্রতারণা, অর্থ ও সোনার গহনা আত্মসাৎ, আপত্তিকর ছবি দেখিয়ে চাঁদা দাবির ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে আদালতে মামলা (নালিশি পিটিশন) হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭জুলাই) মণিরামপুর বাজারের একজন নারী মেকআপ আর্টিস্ট ও বিউটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন।
সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহাবুবা শারমিন অভিযোগের তদন্ত করে ডিবি পুলিশকে প্রতিবেদন দেয়ার আদেশ দিয়েছেন।
অভিযুক্তরা হলেন মণিরামপুর বাজারের বাসিন্দা জিএম ফাহিম আলমগীর ও তার স্ত্রী শারমিন নাহার, কমলাপুর গ্রামের অসীম চক্রবর্তীর ছেলে অমিত চক্রবর্তী।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০২২ সালে পরিচয়ের পর আসামি ফাহিম আলমগীর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে বাদীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। পরে বিভিন্ন সময়ে কৌশলে এসি, ওভেন, সোনার গহনা ও নগদ অর্থসহ বিপুল পরিমাণ সম্পদ গ্রহণ করেন। এছাড়া, ক্যাফে ব্যবসার ক্ষতির কথা বলে কয়েক দফায় আরও অর্থ ধার নেন।
২০২৫ সালের ২৭ নভেম্বর কাবিনের মাধ্যমে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাকে (বাদীকে) স্বামীর বাড়িতে আটকে রাখা, মারপিট করে জোরপূর্বক সমঝোতা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর এবং পরে তালাক দেওয়া হয়। এ সময় বাদীর সোনার গহনাও রেখে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আপত্তিকর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা নেয় ফাহিম আলমগীর। এছাড়া, বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে চার লাখ ১২ হাজার ৯২৪ টাকা নেয়।
গত ২৫ মে মণিরামপুর বাজারের পাট গবেষণা অফিসের সামনে পাওনা টাকা ও সোনার গহনা ফেরত চাইলে আসামিরা দিতে অস্বীকার করেন। একপর্যায়ে তাকে মারপিট, শ্লীলতাহানি এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়।
বিষয়টি মিমাংসায় ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।