যশোর, বাংলাদেশ || শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

‘কষ্ট করে গরু বড় করি, এক রাতে চোরেরা নিয়ে যায়’

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

প্রকাশ : শনিবার, ১১ জুলাই,২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম
আপডেট : শনিবার, ১১ জুলাই,২০২৬, ০৫:৩০ পিএম
‘কষ্ট করে গরু বড় করি, এক রাতে চোরেরা নিয়ে যায়’

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে গরু চুরির ঘটনা থামছেই না। একের পর এক গরু চুরির ঘটনায় চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় কৃষক ও খামারিরা। গত তিনদিনে উপজেলার ইশ্বরবা, মেগুরখির্দা ও বলিদাপাড়া গ্রাম থেকে অন্তত পাঁচটি গরু চুরি হয়েছে। চুরির ঘটনায় খামারিরা থানায় লিখিত অভিযোগ দিলেও পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

১০ জুলাই দিবাগত রাতে বলিদাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা রবিউল ইসলামের গোয়াল থেকে দুটি বড় গাভী ও একটি বাছুরসহ তিনটি গরু চুরি হয়ে যায়। একই রাতে মেগুরখির্দা গ্রাম থেকে আরও একটি গরু চুরি হয়। এর একদিন আগে ৯ জুলাই ইশ্বরবা গ্রামের আইয়ুব হোসেনের গোয়ালঘর থেকে একটা গরু চুরি হয়।

রাস্তার পাশে থাকা এক সিসিটিভি ফুটেজে এই দৃশ্য দেখা যায়।

ভুক্তভোগী খামারি রবিউল ইসলাম বলেন, ‘তিনটি গরু ছিল আমার সংসারের একমাত্র ভরসা। দুধ বিক্রি করেই পরিবারের খরচ চালাতাম। এখন সব শেষ হয়ে গেছে।’

খামারি আইয়ুব হোসেন বলেন, ‘আমার গরুটি চুরি হওয়ার পর হতাশ হয়ে গরু পালন ছেড়ে দেবো ভাবছি। এত কষ্ট করে গরু বড় করি, আর তা এক রাতে চোরেরা নিয়ে যায়।’

স্থানীয়দের দাবি, গরু চুরির এই ধারাবাহিকতা রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ায় একের পর এক গরু চুরির ঘটনা ঘটেই চলেছে।

এর আগে গত মাসের ১৫ জুন থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত ১২ দিনে দশটি গরু চুরির ঘটনা ঘটে। এরমধ্যে ২৬ জুন দিবাগত রাতে উপজেলা আগমুন্দিয়া গ্রামে সৈয়দ আলীর বাড়ি থেকে পাঁচটি গরু ও ২০ জুন ভাদঘারা গ্রামে আব্দুস ছালামের বাড়ি থেকে দেড় লাখ টাকা মূল্যে একটি ষাঁড় চুরি হয়ে যায়। ১৫ জুন একই গ্রামের নায়েব আলী নামে এক কৃষকের চার লাখ টাকা মূল্যের তিনটি গরু চোরেরা চুরি করে নিয়ে যায়।

এদিকে গরু চুরি ঠেকাতে অনেক এলাকায় গ্রামবাসী রাতজেগে পালা করে পাহারা দিচ্ছেন। এরই মধ্যে ২৫ জুন রাতে ভাতঘরা গ্রামের মানুষ গরুচোর সন্দেহে তিনজনকে আটক করে। ওই রাতেই পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়। বিরুদ্ধে গরু চুরির কোনো প্রাথমিক প্রমাণ না পাওয়ায় পুলিশ তাদের ৫৪ ধারায় আদালতে পাঠায়।

এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জেল্লাল হোসেন বলেন, ‘গরু চুরির ঘটনাগুলোর তদন্ত চলছে। এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে। আমরা দ্রুত চোরচক্র শনাক্ত করে ধরে ফেলতে পারবো বলে আশা করছি।’

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)