বাগেরহাট প্রতিনিধি
চিতলমারীতে হাবিবা ক্লিনিক অ্যান্ড বারিশ ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নবজাতকের মৃত্যু ও এক রোগীর শারীরিক ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে।
এবার সংবাদ সম্মেলন করে ঘটনাটিকে ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার’ বলে দাবি করেছেন ক্লিনিকটির পরিচালক।
বুধবার বেলা ১২টায় ক্লিনিক প্রাঙ্গণে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য ও সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ছাব্বির আহমেদ রূপম এসব দাবি করেন।
ক্লিনিক পরিচালক জানান, গত ২৭ জুলাই লাভলী ঘরামী নামে এক নারী সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য তাদের ক্লিনিকে ভর্তি হন। অভিজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে অস্ত্রোপচার করা হয় এবং ওই নারী একটি শিশুর জন্ম দেন।
শিশুটির মুখে জন্মগত সমস্যা ছিল এবং সে স্বাভাবিকভাবে খাবার গ্রহণ করতে পারছিল না। জন্মের পর শিশুটি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে গোপালগঞ্জ হাসপাতালে আইসিইউতে পাঠানো হয়। সেখানে সাতদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শিশুটির মৃত্যু হয়।
তার দাবি, চিকিৎসার ভুলে শিশুটির মৃত্যু হয়নি; বরং জন্মগত জটিলতার কারণে শিশুটির শারীরিক অবস্থা গুরুতর ছিল।
প্রসূতি লাভলী ঘরামীর অভিযোগ, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর মোবাইলফোনের আলোয় অপারেশন করা হয়েছিল, যার ফলে তার জরায়ু ও মূত্রনালিতে ক্ষতি হয়েছে।
তবে, এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ক্লিনিক মালিক বলেন, ক্লিনিকে একাধিক জেনারেটর রয়েছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটর চালু করে ক্লিনিকের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।