যশোর, বাংলাদেশ || শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

‘খ্যাপা মোষের ঘাড় ভাঙার’ মন্ত্রণায় জাগো

ড. মহিউদ্দীন মোহাম্মদ

প্রকাশ : শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর,২০২৬, ০১:০০ এ এম
‘খ্যাপা মোষের ঘাড় ভাঙার’ মন্ত্রণায় জাগো

নব আনন্দে জাগো। ‘খ্যাপা মোষের ঘাড় ভাঙার’ মন্ত্রণায় জাগো। জাগার আমি তো কোনো বিকল্প দেখি না। জাগতে হবে আমাদের সত্যিকার আনন্দধারায়। নবতর রবিকিরণে জাগার বিকল্প নেই। এই জাগাটা আমাদের যেন তেন হলে হবে না। শুভ্র সুন্দর প্রীতি উজ্জ্বল নির্মল এই জীবনকে উপভোগ করতে হবে।

তবে এটা সত্য যে সুন্দর আটকে পড়েছে বাস্তবতার কলে, ফলে বিস্ময়জাগানিয়া সত্য—স্বপ্ন বিপন্ন হচ্ছে। এর মধ্যেও আমরা আশা জাগিয়ে রাখতে চাই। গেল বছর যখন সুবর্ণভূমি ছাপার অক্ষরে জন্ম নিয়েছিল, তখনও সম্পাদক ও প্রকাশকের নেতৃত্বে নতুন আনন্দে জেগে উঠেছিল কর্মপাগল, ঘরের খেয়ে মোষ তাড়ানো একদঙ্গল যুবক।

শুরুটাতে যতটা চ্যালেঞ্জ ছিল, বোধ করি তা আরও সম্প্রসারিত হয়েছে। প্রতিযোগিতার ময়দানে এই একটা বছরে সমাজ সংসারে নতুন করে সখা ও শত্রু অনেক বেড়েছে বা অনেক কমেছে হয়তো। জোয়ার ভাটার এ সংসারে এই তো নিয়ম, নিয়তি। সখা ও শত্রু গুনে সৃজনকর্ম আটকে থাকে না, তাকে সমুখপানে ধাবমান করতে পারাটাই কৃতিত্ব। সেই সূত্রে আরেকটা বছর শুরুর দিনে সুবর্ণভূমি পরিবারের সকলের প্রতি শুভাশিস।

২.
গণমাধ্যমের সৃষ্টি কেবল কিছু মুদ্রাক্ষর বা কালির আঁচড় নয়; এটি অবরুদ্ধ সমাজমানসের প্রতিধ্বনি এবং ইতিহাসের এক প্রবহমান দলিল। একটি স্বাধীন পত্রিকার অস্তিত্ব কেবল ঘটনার বিবরণী পরিবেশনে সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং সমাজের নিচুতলার মানুষের অধিকার রক্ষা, সামাজিক অন্যায়ের বিরুদ্ধে বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই এবং শোষণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার মধ্যেই এর সার্থকতা নিহিত। বাংলা গণমাধ্যমের ধারায় সুবর্ণভূমির বর্ষপূর্তির উদযাপন সেই সত্যকেই পুনরুজ্জীবিত করে—যেখানে সাংবাদিকতা কোনো সুবিধাবাদী বা পদলেহী পেশা নয়, বরং তা যেন ‘খ্যাপা মোষের ঘাড় ভাঙার’ অদম্য অঙ্গীকার এবং সাম্য ও ন্যায়ের এক মহান ব্রত।

সংস্কৃতির গভীর থেকে উঠে আসা বিদ্রোহী সুর স্মরণ করিয়ে দেয়: ‘ভাংছে যারা ভাংবে যারা / খ্যাপা মোষের ঘাড়’। ‘মোষের শিঙে মৃত্যু বাঁধা’ জেনেও লাল নিশানের টানে সত্য প্রকাশের পথে অকুতোভয় হেঁটে যাওয়াই বিকল্প সাংবাদিকতার প্রাণভোমরা। এটি কোনো ব্যক্তিগত ধন-সম্পদ বা খ্যাতির মোহ থেকে উদ্ভূত হয় না; বরং ক্ষমতার কেন্দ্রে অবস্থান না করে রাজপথের ধুলোবালি মাখা, ‘ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর’ যে উল্টো স্বভাব, তা-ই স্বাধীন সাংবাদিকতার মূল চালিকাশক্তি। বর্তমান সময়ে যখন বৈশ্বিক ও দেশীয় কর্পোরেট স্বার্থের আগ্রাসনে সত্য সংকুচিত, তখন প্রান্তিক মানুষের অব্যক্ত বেদনাকে সংবাদপত্রের পাতায় তুলে আনাই প্রকৃত জনমুখী সাংবাদিকতার দায়িত্ব।

৩.
বাংলায় সাংবাদিকতার জন্মলগ্ন থেকেই মুক্তচিন্তা এবং ক্ষমতার সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বে সংঘাত লেগেই রয়েছে। ১৭৮০ সালে জেমস অগাস্টাস হিকির সম্পাদনায় প্রকাশিত ভারতের প্রথম সংবাদপত্র ‘হিকিস বেঙ্গল গেজেট’ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠে সরকারি রোষানলে পড়েছিল। ঊনিশ শতকের ‘বেঙ্গল রেনেসাঁ’ বা বাংলা নবজাগরণের স্বর্ণযুগে রাজা রামমোহন রায়ের ‘সংবাদ কৌমুদী’ (১৮২১), ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের ‘সংবাদ প্রভাকর’ (১৮৩৯), কিংবা অক্ষয়কুমার দত্তের ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকা বাংলার সামাজিক ও ধর্মীয় সংস্কারে অনন্য ভূমিকা রাখে। ‘সোমপ্রকাশ’, ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ এবং ‘অমৃতবাজার পত্রিকা’ তৎকালীন নীলকর সাহেবদের অত্যাচার এবং গ্রামীণ কৃষকদের ওপর শোষণের বিরুদ্ধে লেখনি ধারণ করে সরকারের জন্য মূর্তিমান আতঙ্ক হয়ে উঠেছিল।

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকশ্রেণি এই জনমুখী ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ধারাকে স্তব্ধ করতে ১৮৭৮ সালে লর্ড লিটনের নেতৃত্বে জারি করে কুখ্যাত ‘ভার্নাকুলার প্রেস অ্যাক্ট’ বা দেশীয় সংবাদপত্র আইন। সংবাদপত্রগুলোর ওপর প্রি-সেন্সরশিপের কালো থাবা বসানো সত্ত্বেও অমৃতবাজারের মতো পত্রিকাগুলো আপস করেনি; বরং তারা রাতারাতি নিজেদের ভাষা পরিবর্তন করে ইংরেজিতে রূপান্তর করে প্রতিবাদের নতুন ইতিহাস রচনা করে।

স্বাধীনতার পরবর্তী ইতিহাসেও সংবাদপত্রের সেন্সরশিপের পুনরাবৃত্তি ঘটে। ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক জরুরি অবস্থার সময়ে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা সম্পূর্ণ হরণ করা হয়। সেন্সরশিপের কারণে সরকারের অনুগত বা নীরব মাধ্যম ছাড়া অন্য কোনো স্বাধীন কণ্ঠস্বরের প্রকাশ প্রায় অসম্ভব হয়ে ওঠে। অনেক পত্রিকা তখন প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে সম্পাদকীয় পাতা ফাঁকা রেখে কিংবা রবীন্দ্রনাথের কবিতার চরণ ছেপে শাসকশ্রেণির বিরুদ্ধে নীরব কিন্তু তীব্র ধিক্কার জানায়। ১৯৯০-এর দশকের অর্থনৈতিক উদারীকরণের ফলে বাংলায় প্রাইভেট স্যাটেলাইট টিভি ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার আকস্মিক বিস্ফোরণ ঘটে। তবে সংখ্যার দিক থেকে মিডিয়ার বিস্তার ঘটলেও তা রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীদের মেলবন্ধনে ক্রমেই মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হতে শুরু করে।

৪.
বাংলা সাংবাদিকতার লড়াই কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বৈশ্বিক মুক্তবুদ্ধির আন্দোলনের সঙ্গে এর ঐতিহাসিক যোগসূত্র রয়েছে। ফরাসি বিপ্লবের প্রাক্কালে জঁ-পল মারার ‘লামি দু পেপল’ (জনগণের বন্ধু) পত্রিকা তৎকালীন অভিজাততন্ত্রের ভিত কাঁপিয়ে দিয়েছিল। জারশাসনের চরম নির্যাতনের মুখে দাঁড়িয়ে ভøাদিমির লেনিনের সম্পাদনায় প্রকাশিত ‘প্রাভদা’ কিংবা মার্কিন মুলুকে দাসপ্রথা বিলোপের লক্ষ্যে ফ্রেডেরিক ডাগলাসের ‘দ্যা নর্থ স্টার’ প্রমাণ করে, নিপীড়িত মানুষের পক্ষে পরিচালিত সংবাদপত্রই ইতিহাসের চাকা বদলে দিতে পারে। লাতিন আমেরিকায় গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেসের ক্ষুরধার লেখনি এবং চিলির সামরিক স্বৈরাচারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে স্বাধীন সাংবাদিকদের আত্মত্যাগ মুক্ত সাংবাদিকতার অমর অধ্যায় হয়ে রয়েছে।

তবে একুশ শতাব্দীতে স্বাধীন সাংবাদিকতার সামনে হাজির হয়েছে এক নতুন ও সূক্ষ্ম অশুভ শক্তি—রুপার্ট মারডকের মডেলের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা একচেটিয়া কর্পোরেট সাম্রাজ্যবাদ। এই মডেলে সংবাদকে জনস্বার্থের উপাদান বা সত্যের প্রতীক হিসেবে না দেখে নিছক ‘মোড়কজাত পণ্য’ হিসেবে গণ্য করা হয়। রেটিং বা টিআরপি বৃদ্ধি, কোটি টাকার বিজ্ঞাপন অর্জন এবং ক্ষমতার অলিন্দে লবিং করাই এদের প্রধান লক্ষ্য।

এই পুঁজিতান্ত্রিক মিডিয়া ব্যবস্থার ফলে আজ তরুণ ও স্বাধীন সাংবাদিকদের এক কঠিন অগ্নিপরীক্ষার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। অ্যালগরিদমনির্ভর কনজিউমারিজম বা ভোগবাদ যখন জনমতকে বিভ্রান্ত করে, তখন স্বাধীন সাংবাদিকদের কর্পোরেট নজরদারি ও অর্থনৈতিক চাপের মুখেও অক্ষুণ্ন মেরুদণ্ড নিয়ে সত্য প্রকাশ করতে হচ্ছে। মূলধারার এসিরুম সাংবাদিকতার বিপরীতে শীত-গ্রীষ্ম উপেক্ষা করে রাজপথে ও মেহনতি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর সেই পুরনো ‘বনের মোষ তাড়ানো’ মানসিকতাই আজ কর্পোরেট আগ্রাসনের একমাত্র প্রতিষেধক।

৫.
বর্তমান প্রযুক্তিভিত্তিক ডিজিটাল যুগে সংবাদপত্রের প্রচার সংখ্যা ও আয়ের ওপর চরম আঘাত এসেছে। রজার ফিডলারের ‘মিডিয়ামরফোসিস তত্ত্ব’ অনুযায়ী, নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবনে পুরনো মাধ্যম একেবারে বিলুপ্ত হয়ে যায় না, বরং তা নতুন রূপ ধারণ করে টিকে থাকে। তবে বাংলাদেশের সংবাদপত্রগুলো আজ এক বহুমুখী সংকটের মুখোমুখি: পত্রিকার সার্কুলেশন হ্রাস, বিজ্ঞাপনদাতাদের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গমন, তাৎক্ষণিক সংবাদের অভাব এবং পাঠকের অভ্যাসের পরিবর্তন। গবেষণা অনুসারে, প্রথম আলো, বাংলাদেশ প্রতিদিন, কালের কণ্ঠ ও সমকালের মতো শীর্ষ দৈনিকগুলো অনলাইন সংস্করণ তৈরি, সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার, কিউআর কোড সংযোজন এবং ইনফোগ্রাফিকের প্রয়োগ ঘটিয়ে নিজেদের টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। তবে সঠিক পরিকল্পনা ও অর্থের অভাবে এসব কৌশল বাস্তবায়নে মারাত্মক ভারসাম্যহীনতা লক্ষ করা যায়।

আঞ্চলিক সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে এই টিকে থাকার লড়াই আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং ও তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রাচীন আঞ্চলিক দৈনিক ‘আজাদী’ এবং ‘পূর্বকোণ’-এর ওপর পরিচালিত গবেষণায় দেখা যায়, তারা তাদের মোট সংবাদের প্রায় ১২ শতাংশ অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়ন এবং মূল অবকাঠামোগত অগ্রগতি কভারেজে ব্যয় করে। একইভাবে যশোর জেলার গণমাধ্যম ডিরেক্টরি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সেখানে ‘দৈনিক লোকসমাজ’, ‘কল্যাণ’, ‘গ্রামের কাগজ’, ‘সত্যপাঠ’, ‘সমাজের কথা’, ‘স্পন্দন’, ‘রানার’ এবং ‘সুবর্ণভূমি’-র মতো অগণিত দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকা আঞ্চলিক খবর ও প্রান্তিকের সমস্যার কথা তুলে ধরছে। পর্যাপ্ত মূলধন ও আধুনিক প্রযুক্তির অভাব থাকা সত্ত্বেও আঞ্চলিক সংবাদপত্রগুলো গ্রামীণ অবকাঠামো, কৃষি এবং স্থানীয় মানুষের অভাব-অভিযোগ তুলে ধরে জাতীয় স্তরের ফাঁকগুলো পূরণ করছে।

৬.
বর্তমান বাংলাদেশের গণমাধ্যমের সবচেয়ে বড় সংকট হলো জনগণের বিশ্বাসযোগ্যতা হারানো এবং স্বতঃস্ফূর্ত রাজনৈতিক মালিকানার প্রভাব। গবেষণায় উঠে এসেছে, দেশের অধিকাংশ বৃহৎ মিডিয়া হাউসের মালিকানা কোনো না কোনো রাজনৈতিক দল বা ব্যবসায়ীগোষ্ঠীর হাতে বন্দী, যা নিরপেক্ষ সাংবাদিকতাকে ব্যাহত করছে। বিগত বছরগুলোতে ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮’ এবং পরবর্তীতে ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন’-এর মতো কঠোর আইনি কঠোরতা সাংবাদিকদের মধ্যে ব্যাপক ভয় ও ‘সেলফ-সেন্সরশিপ’ তৈরি করেছে। মিথ্যা মামলা ও গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা থমকে গেছে।

প্যারিসভিত্তিক রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস-এর গ্লোবাল প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্স অনুযায়ী, ২০২৪ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৬৫তম। তবে ২০২৫ সালে কিছুটা উন্নতি হয়ে অবস্থান ১৪৯তম স্থানে উন্নীত হলেও ২০২৬ সালের ইনডেক্সে তা পুনরায় ১৫২তম স্থানে নেমে আসে। সংবাদমাধ্যমের এই রাজনৈতিক মেরুকরণ ও স্বাধীনতা সংকুচিত হওয়ার প্রেক্ষাপটে গঠিত ‘গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন’ বেশ কিছু যুগান্তকারী সুপারিশ পেশ করে। জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক কামাল আহমেদের নেতৃত্বে গঠিত ১১ সদস্যের এই কমিশন সাংবাদিকদের সর্বনিম্ন বেতন নবম গ্রেডের বিসিএস ক্যাডারের সমপরিমাণ (মূল বেতন ২২ হাজার টাকা) করা, এক মালিকানায় একাধিক মিডিয়া না রাখার ‘ওয়ান মিডিয়া, ওয়ান হাউজ’ নীতি বাস্তবায়ন এবং একটি স্বাধীন ‘জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন’ গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। পাশাপাশি ২০২৬ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইনের সাংবাদিক-বান্ধব সংশোধন ও ফ্যাক্ট-চেকিং সেল চালুর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

সর্বোপরি আমরা মনে করি সুবর্ণভূমির মতো যেসব গণমাধ্যম প্রান্তিকের কণ্ঠস্বর হয়ে ‘খ্যাপা মোষের ঘাড় ভাঙার’ অঙ্গীকারে পথ চলতে চায়, তাদের বুদ্ধিবৃত্তিক ও নৈতিক লড়াই থামালে চলবে না। অন্যায়ের সাথে আপস না করে, জনমানুষের রক্ত-ঘামের সত্য ইতিহাসকে সাহসের সঙ্গে বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরাই তাদের হোক ব্রত।

লেখক: কবি, প্রাবন্ধিক, অনুবাদক ও গবেষক

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)