যশোর, বাংলাদেশ || বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

শিক্ষিকাকে অচেতন করে স্বর্ণালংকার লুট, অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্য গ্রেপ্তার

সুবর্ণভূমি ডেস্ক

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট,২০২৬, ১১:৩২ এ এম
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট,২০২৬, ০৫:২০ পিএম
শিক্ষিকাকে অচেতন করে স্বর্ণালংকার লুট, অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্য গ্রেপ্তার

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরে চলন্ত বাসে ডাবের পানি পান করিয়ে এক শিক্ষিকাকে অচেতন করে স্বর্ণালংকার লুটের ঘটনায় অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার (২৪ আগস্ট) রাতে জেলা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও কোটচাঁদপুর থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে গাজীপুর ও মাগুরা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন খুলনার ফুলতলা উপজেলার আলকা দামোদর গ্রামের আবুল কালাম হাওলাদারের ছেলে দুলাল হাওলাদার (৪০), যিনি ‘মলম দুলাল’ নামে পরিচিত এবং মাগুরা সদর উপজেলার বোগিয়া গ্রামের হাসেম খানের ছেলে তিলক খান (৪৪)।

জেলা পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৯ জুন যশোর থেকে শাপলা পরিবহনের একটি বাসে কোটচাঁদপুরে ফিরছিলেন একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষিকা। বাসটি কোটচাঁদপুরের এলাঙ্গী বাজার এলাকায় পৌঁছানোর আগে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তাকে ডাবের পানি পান করতে দেন। পানি পান করার পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। এ সময় দুর্বৃত্তরা তার পরিহিত স্বর্ণের চেইন, আংটি ও খাড়ু নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে তার স্বামী বাসে গিয়ে শিক্ষিকাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।

এ ঘটনায় ৩০ জুন কোটচাঁদপুর থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর স্বামী। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেল ও কোটচাঁদপুর থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন। এর ধারাবাহিকতায় তদন্তকারী দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে।

পরে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুরের টঙ্গী ও মাগুরা সদর থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে দুলাল হাওলাদার ও তিলক খানকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় নেশাজাতীয় দ্রব্য ব্যবহার করে মানুষকে অচেতন করে লুট ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে।

সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের দায়িত্বপ্রাপ্ত এএসআই ইখলাচুর রহমান বলেন, তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে অজ্ঞান পার্টির দুই সদস্যের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে গাজীপুর ও মাগুরায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহের পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাসান বলেন, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে। অপরাধী যে-ই হোক, তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। অজ্ঞান পার্টিসহ সংঘবদ্ধ অপরাধীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)