যশোর, বাংলাদেশ || শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

মহেশপুরে অর্ধশত বছরের বসতভিটা দখলের পাঁয়তারা

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি

প্রকাশ : শুক্রবার, ৩১ জুলাই,২০২৬, ১২:১১ পিএম
আপডেট : শুক্রবার, ৩১ জুলাই,২০২৬, ০৩:০৪ পিএম
মহেশপুরে অর্ধশত বছরের বসতভিটা দখলের পাঁয়তারা

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার উজ্জ্বলপুর মাঠপাড়া গ্রামে প্রায় ৫০ বছর ধরে পৈতৃক বসতভিটায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন রবিউল ইসলাম। তবে জরিপে ভুল রেকর্ডের সুযোগ নিয়ে এবং প্রভাব খাটিয়ে সেই জমি দখলের অপচেষ্টা চালানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে ভুল সংশোধনের কথা বলে টাকা নেওয়া এবং আদালতে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, উজ্জ্বলপুর মাঠপাড়া গ্রামের মৃত জেহের আলীর ছেলে রবিউল ইসলাম তার বাপ-দাদার পৈতৃক ১ একর ৩৯ শতাংশ জমিতে প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে বাড়িঘর নির্মাণ করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। তবে জরিপের সময় ভুলবশত জমিটি রবিউল ইসলামের ফুফাতো ভাই সমসের আলীর ছেলে আসাদুল ইসলামের নামে রেকর্ড হয়ে যায়।

পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে রেকর্ড সংশোধনী মামলা না করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসাদুল ইসলাম রবিউলের পরিবারের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। ভিটেমাটি রক্ষায় বাধ্য হয়ে রবিউল ইসলাম দুই দফায় মোট ৭০ হাজার টাকা আসাদুলকে প্রদান করেন। কিন্তু টাকা নেওয়ার পরও জমি ফেরত না দিয়ে উল্টো নানা টালবাহানা শুরু করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে, নস্তি গ্রামের মোশাররফের ছেলে বজলু হোসেন ও উজ্জ্বলপুর গ্রামের মৃত তাহের মন্ডলের ছেলে সোহারব এই জালিয়াতিতে যুক্ত হয়ে আসাদুলের পক্ষ নিয়ে দলীয় ও রাজনৈতিক প্রভাব দেখাচ্ছেন। বজলু হোসেন রবিউলকে বিভিন্ন প্রলোভন ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন এবং জমি রেজিস্ট্রি করতে স্পষ্টভাবে নিষেধ করে বাধা সৃষ্টি করছেন।

বর্তমানে জমি সংক্রান্ত এই বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, প্রতিপক্ষ দল আদালতে অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করছে। যেখানে প্রায় ৫০ বছর ধরে বসতবাড়ি বানিয়ে একটি পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাস করছে, সেখানে আদালতে বিবাদী পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে জমিটি নাকি সম্পূর্ণ 'খালি জায়গা'।

এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী রবিউল ইসলাম বলেন, ‘এটি আমাদের বাপ-দাদার ভিটেমাটি। ভুল রেকর্ডের সুযোগ নিয়ে আমাদের কাছ থেকে ৭০ হাজার টাকা নিয়েও জমি দখলের চক্রান্ত চলছে। আদালতে মিথ্যা বলা হচ্ছে যে, এখানে কোনো ঘরবাড়ি নেই। আমি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আদালতের কাছে এই সমস্ত মিথ্যা অভিযোগ ও চক্রান্ত বাতিল করে আমাদের পৈতৃক বসতবাড়ি ও জমি সঠিকভাবে ফেরত পাওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি।’

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)