যশোর, বাংলাদেশ || রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi Subornovumi
Ad for sale 870 x 80 Position (1)
Position (1)
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

আলভারেজ-মার্তিনেজের গোলে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

সুবর্ণভূমি ডেস্ক

প্রকাশ : রবিবার, ১২ জুলাই,২০২৬, ০৩:২১ পিএম
আলভারেজ-মার্তিনেজের গোলে সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা

সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল বাঁকাতে হয়। অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে ম্যাচটি ১১১ মিনিট পর্যন্ত ১-১ গোলে সমতায় থাকায় হুলিয়ান আলভারেজও তাই বাঁকালেন। আঙুল নয়, ১১২ মিনিটে বক্সের বাইরে ২৫ গজ দূর থেকে ডান পায়ের নেওয়া শটটি।

বলটি বাতাসে ভাসতে ভাসতে রংধনুর মতো বাঁক নিয়ে আশ্রয় নেয় জালে। গোল!

ওই এক শটেই আলভারেজ যেন এবার বিশ্বকাপে নিজের ছায়া ভেঙে বেরিয়ে এলেন! আর্জেন্টিনার এই দল যে শুধুই লিওনেল মেসিনির্ভর নয়, সেটা বিশ্ববাসীকে বোঝাতে আলভারেজকে অতিরিক্ত সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে সাহায্যের পা বাড়িয়ে দিলেন লাওতারো মার্তিনেজ।

বক্সের ভেতর ফিরতি বলে (১২০‍+১) তার গোলে স্কোরলাইন হয় ৩-১। ১০ জনের সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে তখন আর্জেন্টিনার সেমিফাইনালে ওঠা শুধুই সময়ের ব্যাপার।

অথচ নির্ধারিত সময় পর্যন্তও ১-১ গোলের সমতায় বুক চিতিয়ে লড়েছে সুইজারল্যান্ড। সবকিছু বালির বাঁধের মতো ভেঙে পড়ে অতিরিক্ত সময়ে।

তাতে আর্জেন্টিনার দুই স্ট্রাইকারের গোল পাওয়া কোচ লিওনেল স্কালোনির দলের জন্য সবচেয়ে বড় স্বস্তির। কানসাস সিটিতে কোয়ার্টার ফাইনালে তুলে নেওয়া এ জয়ে আর্জেন্টিনার সামনে প্রতিপক্ষ এখন ইংল্যান্ড।

আটলান্টায় আগামী বুধবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ১টায় সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা।

আর্জেন্টিনার জন্য ম্যাচটা সহজ হওয়ার কথা ছিল না। সুইজারল্যান্ড ভালো শুরুও পেয়েছিল। তবু পিছিয়ে পড়তে হয় ম্যাচের ১০ মিনিটে। লিওনেল মেসির কর্নার থেকে হেডে গোল করেন অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার।

নির্ধারিত সময়ে দুই অর্ধ মিলিয়ে আর্জেন্টিনা সাড়ে তিন শর বেশি পাস খেললেও ওই গোলের বাইরে মাত্র একবারই বল পোস্টে রাখতে পেরেছে।

৮৫ মিনিটে আড়াআড়ি পাস পেয়ে সুইস বক্সে গোলকিপার গ্রেগর কোবেলকে একা পেয়ে গিয়েছিলেন মেসি। ফাঁকি দিতে পারেননি। অফসাইডের পতাকা তোলা হলেও ভিডিও রিপ্লেতে দেখা যায় অনসাইড ছিলেন।

৭২ মিনিটে সুইসরা ১০ জনে পরিণত হওয়ার পর আবারও এগিয়ে যেতে প্রত্যাশিত খেলাটা খেলতে পারেনি আর্জেন্টিনা; বরং ব্রিল এমবোলো দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়ার পর সুইসরা বুক চিতিয়ে রক্ষণ সামলেছে।

প্রতি-আক্রমণে উঠে দ্বিতীয়ার্ধে আর্জেন্টিনা গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্তিনেজের পরীক্ষাও নেয় সুইসরা। এই ধারাবাহিকতায় ৬৭ মিনিটে পেয়ে যায় সমতাসূচক গোল।

বাঁ প্রান্ত দিয়ে আর্জেন্টাইন বক্সে ঢুকে আড়াআড়ি শটে মার্তিনেজের দুই পায়ের ফাঁক গলে বল জালে পাঠান উইঙ্গার ড্যান এনদোয়ে।

সমতাসূচক গোলটি পাওয়ার পর ধীরে ধীরে খেলার ধার বাড়ছিল সুইসদের। তখনই নাটকীয়ভাবে লাল কার্ডের ধাক্কাটা হজম করতে হয় তাদের। রেফারি শুরুতে এমবোলোকেই ফাউল করার অপরাধে আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে হলুদ কার্ড দেখান।

কিন্তু ভিএআরের হস্তক্ষেপের পর পর্তুগিজ রেফারি জোয়াও পিনেইরো মাঠের পাশে মনিটরে গিয়ে ঘটনাটির ভিডিও রিপ্লে দেখেন। তাতে এমবোলোর ডাইভ দেওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ায় রেফারি তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানোয় মাঠ ছাড়তে হয় সুইস ফরোয়ার্ডকে। পারেদেসের হলুদ কার্ড প্রত্যাহার করা হয়।

কেপ ভার্দের বিপক্ষেও শেষ ৩২ দলের রাউন্ডে অতিরিক্ত সময়ে ২ গোল করেছিল আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের এক আসরে প্রথম দল হিসেবে দুটি আলাদা অতিরিক্ত সময়ে দুটি করে গোল করার রেকর্ড গড়ল স্কালোনির দল।

তবে স্কালোনিকে দুশ্চিন্তায় ফেলতে পারে এই ম্যাচে দলগত পারফরম্যান্স। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুইস পোস্টে আর্জেন্টিনা মাত্র ২টি শট রাখতে পেরেছে। সুইজারল্যান্ড রেখেছে ৫টি শট। সুইস গোলকিপার কোবেলের মতো মার্তিনেজকেও ৪টি সেভ করতে হয়।

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)